সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:৪৮ অপরাহ্ন

করোনা ভাইরাসের আক্রান্ত্র ২০ হাজার রোগীকে মেরে ফেলতে আদালতের অনুমতি চাইছে চীন!

সূচনা অফিস ডেস্ক:
  • Update Time : শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ২৮২ Time View

দিন দিন করোনা ভাইরাস যে মহামারি আকাড়ে রুপ নিচ্ছে তার একটি প্রমাণ হলো এই সংবাদটি । চীনকে এখন বলা হচ্ছে ভাইরাসের নগরী । বর্তমানে অবস্থানরত দেশি –বিদেশী অবস্থানরত সকলেই এখন এই করোনা ভাইরাসের কারণে বেশ চিন্তিত ।
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ২০ হাজার রোগীকে মেরে ফেলতে চীন সরকার আদালতের কাছে অনুমতি চেয়েছে বলে খবর বেরিয়েছে।
সম্প্রতি ‘ab-tc.com-City News’ নামক একটি সংবাদমাধ্যমের একটি রিপোর্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম এই সময়।
ওই রিপোর্টের শিরোনামে লেখা হয়েছে, ২০ হাজার করোনভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের প্রাণে মারতে উদ্যোগী হয়ে কোর্টের অনুমতি চাইছে চীন সরকার।
রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে, সংক্রমণ যাতে আর না ছড়িয়ে পড়ে তা বন্ধ করতেই মূলত এই চিন্তাভাবনা করছে জিনপিংয়ের দেশ। আর এই খবর বহু মানুষ নানান সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে দিয়েছেন।
তবে ইংরেজিতে লেখা সেই রিপোর্টের প্রথম বাক্যেই China কে লেখা হয়েছে Chhina। লেখা হয়েছে, ‘করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে আক্রান্ত ২০ হাজার রোগীকে মারতে দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম পিপলস কোর্টের অনুমোদনের অপেক্ষায় সরকার’।
ওই রিপোর্টে একটি ডকুমেন্টের উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে ‘স্টেট’ কোর্টের কাছে লিখছে, ‘এই দেশটা হয়তো সব নাগরিকদেরই হারাবে, যদি না খুব শিগগিরই ওই আক্রান্তরা নিজেদের জীবনের মায়া ত্যাগ করে স্বাস্থ্যকর্মী থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের অন্যান্য আরও মানুষকে বাঁচান।’
তবে ‘ab-tc.com’ ওয়েবসাইটটি কোনো বাইলাইন (রিপোর্টারের নাম) ছাড়াই কেবলমাত্র স্থানীয় সংবাদদাতা লিখেই এই গুরুতর খবরটি প্রকাশ করেছে।
এই ওয়েবসাইটটি ছাড়া আর কোনো আন্তর্জাতিক মিডিয়া এ ধরনের কোনো খবর প্রকাশ করেনি।
যে খবরটি প্রকাশিত হয়েছে তার নীচে কোনো ডিসক্লেইমার দেয়া হয়নি। এমনকি রিপোর্টটি ফিকশন নাকি স্যাটায়ার তারও কিছুই জানানো হয়নি।
এদিকে Snopes fact-check-এর পক্ষ থেকে এই রিপোর্টের সমালোচনা করা হয়েছে। বলা হয়েছে, কীভাবে দিনের পর দিন একটা ওয়েবসাইট এই ধরনের ভুয়ো খবর প্রকাশ করতে পারে। একই সঙ্গে সেখানে আরও বলা হয়েছে যে, এই ধরনের ভুয়া খবর প্রকাশের জন্য এই ওয়েবসাইটকে বিশ্বাস করা যাবে না।
চীনের সুপ্রিম পিপলস কোর্টের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটেও এই ধরনের কোনো ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়নি।
সূত্র: যুগান্তর ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 Suchana Community TV
themebazsuchana231231