বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২০, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন

চীন থেকে কারখানা সরিয়ে নিচ্ছে জাপান, সুযোগ বাংলাদেশের

ডেক্স রিপোর্ট
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২০
  • ২৯৭ Time View

নিজেদের পণ্যের সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখার কৌশল হিসেবে এবং একক দেশের ওপর নির্ভরতা কমাতে বেশকিছু উৎপাদনশীল কারখানা চীন থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাপান। দেশটির প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে এরই মধ্যে কারখানা স্থানান্তরে সহায়তা করতে ২ দশমিক ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা প্রায় ১৮ হাজার ৭শ’ কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষণা করেছেন। 

চীনে থাকা ওই সব কারখানার বড় অংশ নিজেদের দেশে ফিরিয়ে নিতে চায় জাপান। তবে বেশকিছু শ্রমঘণ কারখানা ভারত, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় স্থানান্তর করার পরিকল্পনা আছে দেশটির। জাপানে স্থানান্তরে প্রণোদনার প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকা খরচ করা হবে। বাকি প্রায় ১ হাজার ৭শ’ কোটি টাকা কয়েকটি উন্নয়নশীল দেশে কারখানা হস্তান্তরে ব্যয় করা হবে। সম্প্রতি দেশটির স্থানীয় গণমাধ্যম জাপান টাইমস এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।  জাপানের কারখানা স্থানান্তরের সিদ্ধান্তে বাংলাদেশের জন্যও আশার আলো দেখছেন অর্থনীতিবিদরা। ড. নাজনীন আহমদে বলেন, জাপানের অনেক পণ্যের উৎপাদন হয় চীনে। চীনের উপর নির্ভরতা কমানোর উদ্যোগ হিসেবে বিভিন্ন শিল্প পণ্যের উৎপাদন উৎস চীন থেকে সরিয়ে নিচ্ছে জাপান। যেহেতু উৎপাদন উৎস চীন থেকে সরিয়ে অন্য দেশে নেয়া হবে সেহেতু, বাংলাদেশ সেই সুযোগ নিতে পারে। গত ১০ বছরে জাপানে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক পণ্যের রপ্তানি বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। জাপানের ভোক্তারা পণ্যের মানের ব্যাপারে খুব যত্নশীল। সেজন্য জাপানে পণ্য রপ্তানি করতে হলে তার মান ভালো হতে হয়। জাপানের বিভিন্ন ব্র্যান্ড বাংলাদেশে তাদের অফিস চালু করে অনেক শ্রমিককে প্রশিক্ষণও দিয়েছে।

বাংলাদেশের অনেক কোম্পানি উচ্চ মানের পোশাক পণ্য উৎপাদনে সক্ষম। জাপানের সাথে বিগত বছরগুলোর বাণিজ্যিক সম্পর্কের সুনামের উপর ভিত্তি করে চীন থেকে বাণিজ্য সরে যাবার সুযোগ তৈরি হবে বাংলাদেশের।

এদিকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের বড় ব্যবসায়ী ও উন্নয়ন অংশীদার জাপান। বর্তমানে  দেশটির সাড়ে তিন শতাধিক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনা করছে। জাপানের জন্য একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে।  

আরও বেশকিছু প্রতিষ্ঠান তাদের বিনিয়োগ সম্ভাবনা যাচাই বাছাই করছে। তবে, আমাদের বিদেশী বিনিয়োগ নীতি আরও সহজ  ও আকর্ষণীয় করা উচিত। তুলনামূলক বাড়তি সুবিধা দিতে হবে জাপানী বিনিয়োগকারীদের।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 Suchana Community TV
themebazsuchana231231